সাহিত্য অ্যাকাডেমির ‘ফেলো’ সম্মানে ভূষিত প্রবীণ সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

0

বাংলা সাহিত্যের মুকুটে নতুন পালক জুড়ল বর্ষীয়ান সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সৌজন্যে। সাহিত্য অ্যাকাডেমির ‘ফেলো’ নির্বাচিত হয়েছেন ‘মানবজমিন’-এর স্রষ্টা। ‘অমর সাহিত্যের স্রষ্টা’দের এই বিরল সম্মানে ভূষিত করে থাকে সাহিত্য অ্যাকাডেমি। বলা যায়, এটি সাহিত্য অ্যাকাডেমির সর্বোচ্চ সম্মান।

সাহিত্য অ্যাকাডেমির ‘ফেলো’ সম্মানে ভূষিত প্রবীণ সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

Read More-বন্ধ কলকাতার সব লকগেট, বাড়ছে গঙ্গার জলস্তর, আরও দুর্ভোগের আশঙ্কা

চলতি বছর বাঙালির গর্ব শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের পাশাপাশি আরও সাতজন ভারতীয় লেখককে এই সম্মান জানিয়েছে সাহিত্য অ্যাকাডেমি। তালিকায় রয়েছেন ছোটদের প্রিয় লেখক, রাসকিন বন্ড (ইংরাজি), মারাঠি কবি-প্রাবন্ধিক বালচন্দ্র নেমাডের নামও।

সাহিত্য অ্যাকাডেমির বাংলা উপদেষ্টা পর্ষদের অন্যতম সদস্য তথা বিশিষ্ট কবি সুবোধ সরকার ফেসবুকে পোস্টে অভিনন্দন জানিয়েছেন শীর্ষেন্দুবাবুকে। তিনি লেখেন, ‘শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় সাহিত্য অকাদেমির সবচেয়ে বড় সম্মানে ভূষিত হলেন আজ। তিনি অকাদেমির ‘ফেলো’ নির্বাচিত হয়েছেন। সঙ্গে আরও সাতটি ভাষা থেকে আরও সাতজন ভারত বিখ্যাত লেখককে সম্মান জানাল সাহিত্য অকাদেমি। যেমন রাসকিন বন্ড আছেন, তেমনি আছেন বালচন্দ্রন নেমাড়ে। একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে শীর্ষেন্দুদার হাতে অকাদেমি এই সম্মান তুলে দেবে। বাংলায় সুভাষ মুখোপাধ্যায় নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী শঙ্খ ঘোষ-এর পর অনেকদিন বাদে আবার একজন কথাসাহিত্যিক ফেলো নির্বাচিত হলেন। শীর্ষেন্দুদা, আপনার সম্মানে আমরা আজ সম্মানিত’।

Read More-Punjab CM: পাঞ্জাবের নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন চরণজিত্‍ সিং চান্নি

শীর্ষেন্দু তাঁর সৃষ্টির জন্য এর আগেও একাধিক পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। ১৯৮৯ সালে ‘মানবজমিন’ উপন্যাসের জন্য সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে বিদ্যাসাগর পুরস্কার (১৯৮৫), আনন্দ পুরস্কার (১৯৭৩ ও ১৯৯০)। ২০১২ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে বঙ্গবিভূষণ সম্মান পান প্রবীণ সাহিত্যিক।

Read more-প্রবল বৃষ্টির জেরে ব্যাহত রেল পরিষেবা, জলের তলায় হাওড়া–টিকিয়াপাড়া কারশেড

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের আগে সুভাষ মুখোপাধ্যায়, নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, শঙ্খ ঘোষের মতো ব্যক্তিত্বরা সাহিত্য অ্যাকাডেমির ‘ফেলো’ নির্বাচিত হয়েছেন। বাংলা সাহিত্যের সর্বত্র শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের অবাধ বিচরণ। ১৯৬৭ সালে প্রথম উপন্যাস ‘ঘুণপোকা’-র সঙ্গে পাঠক মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। ‘কাগজের বউ’, ‘যাও পাখি’, ‘মানবজমিন’, ‘দূরবীন’-এর মতো কালজয়ী উপন্যাস বাঙালিকে উপহার দিয়েছেন তিনি। কিশোর-কাহিনিতেও তাঁর জুড়ি মেলা ভার। ‘গোঁসাইবাগানের ভূত’, ‘মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি’,’পাতালঘর’- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি।

সাহিত্য অ্যাকাডেমির তরফে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সম্মান তুলে দেওয়া হবে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের হাতে।

Previous articleবন্ধ কলকাতার সব লকগেট, বাড়ছে গঙ্গার জলস্তর, আরও দুর্ভোগের আশঙ্কা
Next articleআগামী শুক্রবার আফগানিস্তান নিয়ে মুখোমুখি হচ্ছেন মোদী-বাইডেন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here