সুখবর! চার মাস পরে ভক্তদের জন্য খুলছে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের দরজা

0

চার মাস কোভিডের জন্য বন্ধ ছিল। এ বছরে রথের সময়েও ভক্তশূন্য ছিল পুরী। এতদিন পরে জগন্নাথ মন্দিরের দরজা খুলছে জনসাধারণের জন্য। তবে শুরুতে স্থানীয়রাই প্রবেশাধিকার পাবেন। ধাপে ধাপে সব দর্শনার্থীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। মন্দির কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১৬ অগস্ট সোমবার থেকে জগন্নাথ মন্দির খুলে দেওয়া হবে। ১৬ থেকে ২০ অগস্ট অবধি শুধুমাত্র স্থানীয় লোকজনরাই ঢুকতে পারবেন। ২৩ অগস্টের পর থেকে সকলকেই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। কোভিড বিধি মেনে হবে দর্শন। প্রতি সপ্তাহে শনি ও রবিবার মন্দির বন্ধ থাকবে। সপ্তাহে পাঁচদিন সকাল ৭টা থেকে সন্ধে ৭টা অবধি মন্দির খোলা থাকবে।

সুখবর! চার মাস পরে ভক্তদের জন্য খুলছে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের দরজা

Read More-সাত সকালে বাইপাসে যানজট, পানীয় জলের দাবিতে পথ অবরোধ স্থানীয় বাসিন্দাদের

মন্দির কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, কোভিড বিধি মেনেই চলবে দর্শন। মন্দির কমিটির তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, মন্দির চত্বরে ভিড় করা চলবে না। মন্দিরের ভেতরে কঠোর নিয়মও মানতে হবে। মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। সোশ্যাস ডিস্টেন্সিংয়ের নিয়ম মেনেই হবে দর্শন। মন্দিরের ভেতরে প্রদীপ বা ফুল নিয়ে যাওয়া চলবে না। ভোগ বিতরণের ক্ষেত্রেও নিয়ম মানবে মন্দির কর্তৃপক্ষ। এতদিন শুধুমাত্র মন্দিরের মূল প্রবেশদ্বারই খোলা হত ভোর বেলায়। মন্দিরের বর্ষীয়ান সেবায়েত মূল প্রবেশদ্বারের কাছে প্রভু জগন্নাথের বিগ্রহে আরতি করতেন। শুধুমাত্র সেটুকুই দেখার সুযোগ পেতেন স্থানীয়রা।

Read More-রাজ্যের উত্তরের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, দক্ষিণে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা

মন্দির কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, ভক্তদের সহযোগিতা ও শৃঙ্খলাপূর্ণ আচরণই কাম্য। আগে মন্দিরের ভেতরে যেভাবে ভিড় হত এখন তা একেবারেই বন্ধ। নিয়ম মতো লাইন করেই ঢুকতে হবে ভক্তদের। নির্দিষ্ট সময়ের জন্যই দর্শন করা যাবে। করোনা সংক্রমণের ঢেউ আছড়ে পড়েছিল শ্রীমন্দিরের চৌকাঠেও। প্রায় দশ হাজার সেবায়েতের মধ্যে অন্তত হাজার দুয়েক কোভিড আক্রান্ত হয়েছিলেন। মৃত্যুও হয়েছিল কয়েকজনের। মনে করা হয়েছিল প্রসাদ বিলির সময়েই সংক্রমণ ছড়ায় সেবায়েতদের মধ্যে। এরপরেই মন্দির ম্যানেজিং কমিটির তরফে শ্রীমন্দিরের দরজা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মাঝে জানুয়ারি মাসে মন্দির খুললেও দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ বাড়ায় ফের বন্ধ করে দেওয়া হয়। রথযাত্রার সময় শুধুমাত্র সেবায়েত, তাদের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে কঠোর নিয়ম মেনেই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here