ত্রেতাযুগে, যখন অত্যাচারী রাজা হিরণ্যকশিপু তার নিজেকে ঈশ্বর মনে করেছিলেন এবং তার প্রজাদের উপর নির্যাতন চালিয়েছিলেন, তখন ভগবান বিষ্ণু বামন অবতার গ্রহণ করে ধর্ত্রীতে অবতীর্ণ হন।
বামন অবতারে হিরণ্যকশিপু নিহত হলে তার পুত্র প্রহ্লাদ রাজা হন। কিন্তু হিরণ্যকশিপুর সুরাসুরি ভাই হিরণ্যাক্ষ প্রহ্লাদকে হত্যা করার চেষ্টা করে। তখন ভগবান বিষ্ণু নরসিংহ রূপ ধারণ করে হিরণ্যাক্ষকে বধ করেন।
নরসিংহের জন্ম:
হিরণ্যকশিপু তার ভাই হিরণ্যাক্ষের মৃত্যুর পর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য প্রহ্লাদকে হত্যা করার চেষ্টা চালিয়ে যান। তিনি প্রহ্লাদকে বিভিন্ন প্রকারে হত্যা করার চেষ্টা করেন কিন্তু সফল হন না।
এক দিন হিরণ্যকশিপু তার ভাই হিরণ্যাক্ষের সঙ্গিনী শৈব্যার গর্ভে প্রহ্লাদকে হত্যা করার জন্য আক্রমণ করেন। কিন্তু এই সময় ভগবান বিষ্ণু শৈব্যার গর্ভে প্রবেশ করে একটি শিশুর রূপ ধারণ করেন।
শৈব্যা একটি স্তম্ভে আশ্রয় নেয়। হিরণ্যকশিপু স্তম্ভ থেকে প্রহ্লাদ বের হওয়ার জন্য আঘাত হানেন। এই সময় স্তম্ভ ফেটে গিয়ে ভগবান বিষ্ণু নরসিংহ রূপে প্রকাশ পান।
হিরণ্যাক্ষের বধ:
নরসিংহ একটি ভয়ঙ্কর সিংহের রূপ ধারণ করে হিরণ্যাক্ষকে আক্রমণ করেন। তিনি হিরণ্যাক্ষকে তার পঞ্জায় ধরে স্তম্ভের কাছে ঘসিয়ে মারেন।
এই ঘটনায় দেবতা এবং গন্ধর্ব আনন্দে নৃত্য করেন। প্রহ্লাদ তার পিতা হিরণ্যকশিপুর মৃত্যুতে দুঃখিত।
