অব কি বার, চারশো পার। লোকসভা ভোটে বিপুল সাফল্য নিয়ে একশোয় একশোভাগ নিশ্চিত অমিত শাহ চার তারিখের আগে সবাইকে শেয়ার কেনার পরামর্শ দিয়েছিলেন। শুধু পরামর্শই নয়, রীতিমতো জোরাজুরিই করেছিলেন বিজেপির সেকেন্ড ইন কমান্ড। তবে তিনি একাই নন। একইরকমভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও ভোটের ফল বেরোবার আগে বেশি করে শেয়ার কেনার কথা বলেছিলেন। কিন্তু ভোটের ফল বেরোতেই দেখা যায় বিজেপির বরাতে কাঙ্ক্ষিত নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা জোটেনি। ফলে শেয়ার বাজারে তিরিশ লক্ষ ক্ষতি হয় বলে জানা যায়।
এরপরই শেয়ার ঘোটালা নিয়ে সরব হন কংগ্রেসের সাংসদ রাহুল গান্ধী। এবার তাঁরই পদাঙ্ক অনুসরণ করে সেবির কাছে শেয়ার কেলেঙ্কারি তদন্তের আর্জি জানাল তৃণমূল কংগ্রেসও। সেবির কাছে শেয়ার কেলেঙ্কারির আর্জি জানিয়েছেন ঘাসফুল শিবিরের রাজ্যসভার সাংসদ সাকেত গোখলে। বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ার পার্সন মাধবী পুরী বুচকে চিঠি লিখে তৃণমূল অভিযোগ জানিয়েছে, লোকসভা ভোটে বিপুল জয়ের আভাস দিয়ে শেয়ারবাজারে বেশি করে বিনিয়োগ করার বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁদের বার্তার জেরে শেয়ারবাজারে কোনও কারচুপি,দুর্নীতি হয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হোক বলে দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এমাসের তিন ও চার তারিখে শেয়ারবাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল,তাতে বিজেপির কোনও ভূমিকা রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখারও দাবি করেছে ঘাসফুল শিবির।
